প্রশিক্ষণ সমূহ

ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং

কোর্স বিবরণ
যা যা শেখানো হবে
অন্যান্য

কোর্স বিবরণ

গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে ক্রিয়েটিভিটি থাকে আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন নিজেকে। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইনে আউটসোর্সিং বা প্রোডাক্ট বেইজড কাজ করতে হলে আপনাকে আন্তর্জাতিক মানের গ্রাফিক্স এর কাজ শিখতে হবে। নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ, জানতে হবে নিত্য-নতুন কলা-কৌশল।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?
সহজ কথায় বললে গ্রাফিক্স ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক  উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।

যা জানতে হবেঃ
গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্রাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো করতে পারবেন। অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা বিদেশি বায়ারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইংরেজি জানা একটি পূর্বশর্ত। এছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে খুবই ভালো হয়; তাহলে আপনি যে কোন বিষয়ে অনলাইন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। যদি আপনার মনে হয়ে থাকে সৃজনশীল অর্থাৎ আপনার যদি আঁকাআঁকি করতে ভালো লাগে তাহলে সেটা অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ
যেকোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক্সের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হলঃ

ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভঃ বাংলাদেশে ই-কমার্স এতটা জনপ্রিয় না হলেও বিদেশে ই-কমার্স বেশ জনপ্রিয় একটি কেনাকাটার মাধ্যম। যেখানে ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরণের পণ্যের ছবি সাজিয়ে রাখা হয়। আর সেই পণ্যের ছবি দেখে গ্রাহক পণ্যটিকে ক্রয় করতে অর্ডার দেন। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজ হল ঐসব পণ্যের ব্যাকগ্রাউন্ড (পিছনের অংশ) মুছে পরিস্কার করে দেওয়া। যাতে গ্রাহক অনাকাঙ্খিত কিছু দেখতে না পায়। এবং পণ্যটিকে দৃষ্টিনন্দন দেখায়। মার্কেটপ্লেসে ই-কমার্সের কাজ ছাড়াও ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করার কাজও রয়েছে প্রচুর। 

ফটো রিটাচিংঃ আমাদের নিজের পুরোনো বা নতুন ছবিই হোক অথবা আত্মীয় স্বজনের ছবি হোক না কেন? ছবি আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে কে না চায়? আর এই কাজটিই একজন সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার করে থাকে। যেমনঃ ছবির পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করে নতুন ব্যাকগ্রাউন্ড দেওয়া, ছবি থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেওয়া, ছবির মধ্যের অতিরিক্ত ব্যক্তিকে সরিয়ে ফেলা, ছবিতে নাম লেখা, ইফেক্ট সেট করা, কালার পরিবর্তন করা, শার্ট+কোর্ট পরিবর্তন করা, ব্যাকগ্রাউন্ড সম্প্রসারিত করা ইত্যাদি। 

ফেসবুক/ইউটিউব কভার ফটো ডিজাইনঃ কে না চায় তার ফেসবুক প্রোফাইলে, পেজে, গ্রুপে একটি সুন্দর আকর্ষণীয় কভার ফটো দিতে। সবাই তার নিজ নিজ পছন্দমত কভার ফটো দিয়ে থাকে। আর এই কাজটিই আপনি করবেন বিভিন্ন অফিসিয়াল পেজ/গ্রুপের কভার ডিজাইন করে। একটি অফিসিয়াল পেজের ডিজাইন সাধারণত সেই অফিসের পণ্য বা পণ্যের বর্ণনা সম্পর্কিত হয়ে থাকে। একইভাবে অফিসের ইউটিউব চ্যানেলের কভারও ডিজাইন করিয়ে থাকে। 

ফাইবার ফটো গিগ ডিজাইনঃ সবাই সব বিষয়ে পারদর্শী হয় না। কোন না কোন বিষয় তার ঘাটতি থেকেই যায়। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন আপনি। ফাইবারে অনেক বড় বড় ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। দেখা যায় একজন ফ্রিল্যান্সার ওয়েবসাইটের কোডিং বিষয়ে খুবই এক্সপার্ট। কিন্তু দুঃখের বিষয় সে গ্রাফিক্স সম্পর্কে অজ্ঞ। ঐ ফ্রিল্যান্সার আপনার মত গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের দিয়ে সুন্দর সুন্দর কিছু ফাইবার ফটো গিগ ডিজাইন করিয়ে নিবে। তাতে যদি তার ৫-২৫ ডলার ব্যায় হয়ও, তারপরেও সে ঐ গিগ কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারবে।

ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনঃ ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক্স ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেইল করে আয় করতে পারবেন। 

বুক/এ্যালবাম কভার ডিজাইনঃ বিভিন্ন ধরনের বইয়ের মলাট তৈরি করে অনেকেই বেশ আয় করে নিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে দেশের বাইরের বিভিন্ন দেশের বইয়ের কভার তৈরি করে আপনিও আয় করে নিতে পারেন। পাশাপাশি সফটওয়্যার, গেমস, অডিও সিডি, ভিডিও সিডি ও ডিভিডি সিডির সুন্দর সুন্দর কভার ডিজাইন করে আয় করছে দেশের ফ্রিল্যান্সারগণ। আপনিও চেষ্টা করে দেখুন! একদিন ঠিকই আপনার তৈরিকৃত পণ্য বিদেশের কোন নামকরা প্রতিষ্ঠানে শোভা পাবে। 

ওয়েব ব্যানার ডিজাইনঃ সহজ কাজের মধ্যে একটি হল ওয়েব ব্যানার ডিজাইন করা। যদি আপনি কাজটি ভালভাবে বুঝেন তাহলে আপনার জন্য এ কাজ করা কোন ব্যাপারই না। তবে বায়ারের কাজ দেখে ঘাবড়ানোর কিছু নেই, কাজটি নিয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন দেখবেন অনেক জটিল কাজও আপনার কাছে সহজ মনে হবে। একজন ভালো ওয়েবসাইট ব্যানার ডিজাইনারের খুব চাহিদা রয়েছে মার্কেটপ্লেসে।

ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্পলেট ডিজাইনঃ এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে অনলাইন উৎকর্ষের এই যুগে ওয়েবসাইটের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠন এমনকি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটও অনেকে তৈরি করতে চান। আর ব্যবসার প্রসারে ওয়েবসাইট অতি প্রয়োজনীয় একটি হাতিয়ার। ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েবসাইটের সুদৃশ্য বাটন তৈরি, প্রাইসটেবিল তৈরি, ব্যানার তৈরি, ইমেজ এডিটিং, আইকন তৈরি প্রভৃতি কাজ করা ছাড়াও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার পিএসডি টেম্পলেটের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ওয়েব সাইটের আর্কিটেকচার তৈরি করতে পারেন।

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। 

বিজ্ঞাপনঃ পণ্যের প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন সবচেয়ে বড় মাধ্যম। সংক্ষিপ্ত অথচ তথ্যপূর্ণ, নান্দনিক এবং বিনোদনমূলক বিজ্ঞাপন ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি বিজ্ঞাপন আবেদন তৈরি করতে পারবে কিনা। বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্যও রয়েছে নানা মাধ্যম। অনলাইন, প্রিন্ট কিংবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া যেখানে প্রচারের জন্যই হোক সবরকমের দক্ষতা একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের থাকতে হবে।

প্রমোশনাল ডিসপ্লেঃ সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা অঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিন্ন এ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরনের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রমোশনাল ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

সংবাদপত্র ডিজাইনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সম্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র। 

ম্যাগাজিন ডিজাইনঃ এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তার ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে। 

ইত্যাদিসহ আরও অনেক রকম কাজ মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়।

এসবের মধ্যে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার। কয়েকটি বিষয় শিখতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার ক্ষেত্র আরো বড় হবে।

কারা গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারবেন?
যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান
অনলাইন উদ্যোক্তা বা আইটি স্পেশালিস্ট হতে চান
ডিজাইন, আর্ট, ওয়েব গ্রাফিক্স, ট্রল পেইজ, ইউটিউবার কিংবা ফটোগ্রাফার
যারা পড়াশুনার পাশাপাশি পার্টটাইম কিছু করে পড়াশুনা চালিয়ে নিতে চান

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে যা প্রয়োজনঃ
ইন্টারনেট কানেকশনসহ একটি কম্পিউটার
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর প্রাথমিক ধারণা
একটি হেডফোন (ল্যাপটপ হলে হেডফোন আবশ্যক নয়)

কোথায় কাজ/জব পাবেনঃ
ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস
বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
অনলাইন মার্কেটপ্লেস
প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

গ্রাফিক্স সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ
গ্রাফিক্স প্রতিযোগিতাঃ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখযোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
www.99designs.com
www.freelancer.com/contest

ডিজাইন বিক্রিঃ
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
www.graphicriver.net
www.creativemarket.com
www.codegrape.com
www.designcrowd.com
www.freelancer.com/marketplace

বিড করে কাজঃ
আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com

অন্যান্যঃ উপরে উল্লেখিত সাইটগুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ www.fiverr.com

যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ
অবশ্যই ভালভাবে কাজ শেখা
নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/পোর্টফোলিও তৈরি করে রাখা
নিজের মার্কেটিং করা
 
একজন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক্স ডিজাইন করে কেমন আয় করেন?
আয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে স্কিল এবং অভিজ্ঞতার উপর, একজন নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইনার যেমন আয় করে একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আয় করে। সাধারণত একজন নতুন (৬ মাস - ১ বছর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন) ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি ঘন্টায় ১০/২০ ডলার রেটে কাজ করেন এবং মাসে এভারেজ ২০,০০০ - ৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারেন। একজন কয়েক বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিজাইনার প্রতি ঘন্টায় ২০/৬০ ডলার বা তার বেশি টাকা আয় করতে পারেন মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন, বাংলাদেশে অনেক ডিজাইনার রয়েছেন যারা প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেন।

যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে-বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।

কোথায় গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেনঃ
ফরিদপুরে ফ্রিল্যান্স আইটি আউটসোর্সিং মার্কেটে কাজের উপযোগী করে আন্তর্জাতিক মানের কোর্স অফার করে থাকে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদেরকে প্রজেক্ট ভিত্তিক প্যাক্টিক্যালি শেখানোর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে কাজ পেতে সার্বিক সহায়তা করে যাচ্ছে।

বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ ভিজিট করুনঃ www.facebook.com/freelanceeit
বিস্তারিত জানতে ফেসবুক গ্রুপ ভিজিট করুনঃ www.facebook.com/groups/freelanceeit
অথবা সরাসরি অফিসে চলে আসুনঃ
ফ্রিল্যান্স আইটি, মনা প্লাজা (২য় ও ৪র্থ তলা), কাঠপট্টি, ঝিলটুলী, ফরিদপুর-৭৮০০। ফোনঃ ০১৭৩২৩২৩০০৩

কোর্স সিলেবাস পেতে ক্লিক করুনঃ সিলেবাস (পিডিএফ)

== ভিডিও দেখেও শিখতে পারেন ==

যা যা শেখানো হবে


অন্যান্য


কোর্স ফিঃ ৬ হাজার ৫০০ টাকা


ক্লাসের সময়ঃ সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। (২ ঘন্টা)


যোগাযোগঃ মনা প্লাজা (৪র্থ তলা), ফরিদশাহ্ রোড, কাঠপট্টি, ঝিলটুলী, ফরিদপুর-৭৮০০।

আপনার প্রশ্নের উত্তরঃ

১. আমি কি এই কোর্স করতে পারবো?
উত্তরঃ কেন পারবেন না? সবাই পারলে আপনিও পারবেন। কেউই শেখার পর শিখতে আসে না। সবাই শেখার জন্যই আসে। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষকরা আপনাকে শেখাতে নিরলস চেষ্টা করবেন।
২. কোর্স শেষ করেই কি আমি ইনকাম করতে পারবো?
উত্তরঃ আমরা আপনাকে ১০০% ইনকামের গ্যারান্টি দিতে পারি না। তবে আপনি যদি আমাদের ইন্সট্রাকশন ফলো করে কাজ করে থাকেন তাহলে অবশ্যই ইনকাম করতে পারবেন। আর একেবারেই না পারলে ফ্রিল্যান্স আইটি ইন্সটিটিউটের টিমে কাজ করার সুযোগ তো রয়েছে।
৩. কোর্স শেষে কি আমি সাপোর্ট পাবো?
উত্তরঃ কোর্স শেষে আপনি আমাদের ইন্সটিটিউটে লাইফটাইম সাপোর্ট পাবেন।
৪. ক্লাসের সময় কি পরিবর্তন করা যাবে?
উত্তরঃ আমাদের প্রতিমাসেই বেশ কয়েকটি ব্যাচ শুরু হয়। আপনি এই ব্যাপারে আমাদের অ্যাডমিশন ডেস্ক এ কথা বলতে পারেন। আমাদের অন্য ব্যাচে সিট ফাঁকা থাকলে অবশ্যই পরিবর্তন করা যাবে।
৫. আমাকে কি মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করে দেওয়া হবে?
উত্তরঃ আমাদের তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষকরা আপনাকে ২টি মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করতে সর্বাত্মক সাহায্য করবে।
৬. কোর্স ফি ইন্সটলমেন্টে কি দিতে পারবো?
উত্তরঃ আমাদের ইন্সটিটিউটের নিয়ম হচ্ছে প্রতিটি কোর্স শুরু করার পূর্বে প্রদত্ত সম্পূর্ণ কোর্স ফি জমা দিয়ে অবশ্যই ভর্তি হতে হবে। ভর্তির পূর্বে কোন ক্লাস নেওয়া হয় না।
৭. কোর্স শেষে কি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে?
উত্তরঃ আমাদের অফিস প্রোগ্রামে ৩ মাস এবং ৬ মাসের কোর্সে সরকার অনুমোদিত সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বাকী কোর্সগুলিতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
৮. নির্দিষ্ট সময়ে কোর্স শেষ করতে না পারলে কি আমাকে বের করে দেওয়া হবে?
উত্তরঃ আপনি যদি আমাদের শিক্ষার্থী হন তাহলে কখনোই আপনার উপর এরূপ নিষ্ঠুর আচরণ করা হবে না। যেহেতু আমাদের প্রতিষ্ঠান বেসরকারি সেহেতু আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য থাকবে আপনার কোর্স শেষ করে দেওয়া।